জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে এবং ভোটকেন্দ্র পাহারা দেয়ার আহ্বান

ফেইসবুক থেকে
Share Button

জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে এবং ভোটকেন্দ্র পাহারা দেয়ার আহ্বান

তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় রাজনীতির মাঠে অনেকটাই সক্রিয় হতে পারে অনির্বাচিত সরকার বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। কিন্তু এবারের বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। তফসিল ঘোষণার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় একমাস। অথচ বিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিরোধী নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে অভিযান চলছে। ধরপাকড় চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বাড়ছে টার্গেট গ্রেপ্তারের সংখ্যা। এ নিয়ে বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইসি জানিয়েছে, তাদের নির্দেশের বাইরে কিছুই করছে না পুলিশ।

অনির্বাচিত সরকার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নির্বাচনী কাজে সহায়তা দিচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ব্যক্তিগত স্টাফসহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও তাদের পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন। গতকাল সরজমিন কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাদের দপ্তরে গিয়ে এমন তথ্যের সত্যতা মিলেছে। ফেসবুকের মেসেঞ্জার ঘেঁটে দেখা যায়, গত ২৮শে নভেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তারা তাদের মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান। নিজের নামে না পাঠিয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এপিএসের নামে প্রেস রিলিজ সংবাদপত্রে পাঠান। এ ছাড়া কয়েক জন জনসংযোগ কর্মকর্তা নিয়মিত মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের নির্বাচনী এলাকায় সফর করছেন। নির্বাচনী এলাকায় সফরের সময় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে জনসংযোগ কর্মকর্তাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখা গেছে।

Share Button