বাগেরহাট-৪: গায়েবি নাশকতার অভিযোগে দুই জামায়াত নেতা আটক

জামায়াতে ইসলামী
Share Button

বাগেরহাট-৪: গায়েবি নাশকতার অভিযোগে দুই জামায়াত নেতা আটক

বাগেরহাট গোয়েন্দা পুলিশ সোমবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে শরণখোলা থেকে দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করেছে। নিকট অতীতে এ এলাকায় কোন নাশকতার ঘটনা না ঘটলেও পুলিশের দাবি তাঁদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন, শরণখোলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সরোয়ার হোসাইন বাদল এবং খোন্তাকাটা মদিনাতুল উলুম লতিফিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ও পার্শ্ববর্তী মোরেলগঞ্জ উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের হরমুজ আলী গাজীর ছেলে আলী আহম্মাদ গাজী।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির জানান, জামায়াতের সেক্রেটারি সরোয়ার হোসেন বাদলের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে এবং আলী আহম্মদ গাজীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। নাশকতার প্রমাণ পেলে আলী আহম্মাদকেও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কিন্তু পত্র-পত্রিকা ও অন্যান্য গণমাধ্যমের খবর যাচাই করে নিকট অতীতে শরণখোলায় কোন ধরণের নাশকতার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। তাহলে তাদের নামে মামলা হলো কি করে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কৌশলে এড়িয়ে যান ডিবি পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, আটক আলী আহমদ গাজীর কাছ থেকে জামায়াত কে আর্থিকভাবে সহায়তা করার বেশ কয়েকটি রশিদ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু এটি কিভাবে অবৈধ তার কোন ব্যাখ্যা তিনি দেননি।

এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম মুঠোফোনে বলেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে । যা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে ।

শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার সরকার জানান, জামায়াতের সেক্রেটারি সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে শরণখোলা থানায় একাধিক নাশকতার মামলা রয়েছে।

Share Button