মি-টুর ঝড় বাংলাদেশেও, ফেঁসে যাচ্ছেন ডিবিসির প্রনব সাহা

আলোচিত সংবাদ
Share Button

মি-টুর ঝড় বাংলাদেশেও, ফেঁসে যাচ্ছেন ডিবিসির প্রনব সাহা

ভারতে মি-টু আন্দোলনের রেশ কাটতে না কাটতেই বাংলাদেশের মি-টু সমালোচনায় আসলেন ডিবিসি নিউজের হেড অফ নিউজ প্রনব সাহা। গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক সুপ্রীতি ধর এর কন্যা সিমন্তী তার ফেসবুক স্টাটাসে এই অভিযোগ তুলেছেন।

গত ৩০ অক্টোবর বিবিসি বাংলার সাবেক সাংবাদিক ও নারীবাদি ওয়েবসাইট উইম্যান চ্যাপ্টারের স্বত্তাধিকারী সুপ্রীতি ধর এর কন্যা শুচিস্মিতা সিমন্তী ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দাবি করেন, প্রনব সাহা ১১ বছর আগে, ১৬ বছর বয়সে তাকে যৌন হয়রানি করেছিল।

তিনি লিখেছেন, সে (প্রনব সাহা) আমার উচ্চবিদ্যালয়ের বছর গুলো বিধ্বংসী করে দেয়। আমি কয়েক বছর ধরে এই ব্যাথা ভোগ করছি। এটি আমার হৃদয়ের স্থায়ী একটি দাগ।

তিনি ঘৃণা জড়িত লেখনিতে উল্লেখ করেন, আমি তোমাকে ঘৃণা করি। আমি তোমাকে ক্ষমা করবো না।

জানা যায়, বছর দশক আগে সুপ্রীতি ও প্রনব সাহা দুজনেই কাজ করতো প্রথম আলোয়। সেই সুযোগে চিরকুমার প্রণব হঠাত্ প্রেমের ফাঁদে ফেলেন সুপ্রীতিকে। দুই সন্তানসহ সুপ্রীতি তখন থাকেতেন তেজতুরি বাজারের ভাড়া বাসায়। এক পর্যায়ে প্রণবও উঠেন সেই বাসায়। চলে অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন এক কথায় লিভটুগেদার ।

পরিনতিতে একসময় সুপ্রীতি অন্তসত্তা হয়ে পড়লে প্রণব ও তার বন্ধু আশীস সৈকত (ইনডিপেনডেন্ট টিভির বর্তমান চিফ নিউজ এডিটর) দুজনে মিলে তাকে একটা ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করিয়ে আনে।

এ ঘটনার পর সুপ্রীতি ধর বিয়ের জন্য চাপ দিলে হঠাত্ একদিন প্রণব সুপ্রীতির বাসা ছেড়ে বাংলামটরে বোনের বাসায় উঠেন। শুরু হয় ঝগড়াঝাটি। এসব ঘটনায় কোনো গোপনীয়তা ছিল না। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠলে এক সময় দুজনকেই চাকরিচ্যুত করতে বাধ্য হয় প্রথম আলো।

বিবিসি বাংলার সাবেক সাংবাদিক সুপ্রীতি ধর এখন সুইডেন থাকেন। দুই সন্তানের মা সুপ্রীতির সঙ্গে তার স্বামীর ডিভোর্স হয়ে গেছে বহু আগে। গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন তিনি ।

এতদিন পর এখন সুপ্রীতির মেয়ে সিমন্তী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানাচ্ছে যে, তার মায়ের সাথে যখন প্রণব সাহার লিভটুগেদার চলছিল, তখন মায়ের কথিত সেই বয়ফ্রেন্ড দ্বারা সেও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।

So here is my #MeToo,This guy, P.S., is a well-known face in Bangladeshi Media. I can see that I have about 70 friends…

Posted by Shucheesmita Simonti on Tuesday, 30 October 2018

Share Button

Leave a Reply