সংলাপ নাটকঃ মার্কিন-ইন্দো পরিকল্পনায় আসছে অন্তর্বতী সরকার!

এক্সক্লুসিভ
Share Button

সংলাপ নাটকঃ মার্কিন-ইন্দো পরিকল্পনায় আসছে অন্তর্বতী সরকার!

বিশেষ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভাগ্য চুড়ান্ত করেছে প্রভাবশালী বিশ্বশক্তিগুলো। গত কয়েকমাসের নানা দৌড়ঝাপের পরে একটি বিষয়ে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান অসম্ভব। তাই একটি বিরতি দিতে হবে। নির্বাচন করতে একটি তদারকি সরকারের প্রয়োজন, যারা দেশের প্রশাসন শক্ত হাতে ধরে নির্বাচনের উপযোগি একটি পরিবেশ সৃষ্টি করবেন। এই লক্ষ্য পূরণেই গোপন আলোচনা, প্রকাশ সংলাপ, এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ চলছে।

এরই মধ্যে প্রভাবশালী শক্তির প্রচ্ছন্ন সমর্থন নিয়ে গঠিত হয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। আর ঐক্যফ্রন্টকে বিতর্কমুক্ত করতেই প্রভাবশালী দু’টি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে চাপ দিয়ে (যদিও তিনি রাজী ছিলেন না) জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের গেজেট জারী হরা হয়েছে। আর এর ফলে দারুণভাবে লাভবান হয়ে যায় এক যুগ ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি। অন্যদিকে নির্বাচন শিডিউল ঘোষণার ঠিক আগে আগেই সড়ক ধর্মঘটের নামে জনসাধারনকে ভোগান্তিতে ফেলে, মুখে মবিল কালি লাগিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে বিরক্ত করার মধ্য দিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা তাদের মহড়া সম্পন্ন করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি মাসের মধ্যেই দেশে রাজনৈতিক ডামাডোল তুঙ্গে উঠবে। বিশেষ করে নির্বাচনী শিডিউল ঘোষণা করার সাথে সাথেই ধর্মঘট ও লাগাতার কর্মসূচিতে যাবে বিরোধী দলগুলো। পরিবেশ নাই, তাই নির্বাচন পিছানোর দাবী ইতোমধ্যেই তোলা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তদারকি সরকারটি ৬ মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন করবে। তবে প্রয়োজনে এটি এক বছর বা ২ বছর পর্যন্ত বর্ধিত হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রভাবশালী একটি রাষ্ট্রের একজন শীর্ষ কূটনীতিক ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা এক সপ্তাহের অধিক ঢাকায় অবস্থান করে গোপন মিশনে সবকিছু চুড়ান্ত করে যান। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের নিয়ে বৈঠক করে এর উপরে সম্মতি নেয়া হয়, যেখানে প্রতিবেশী দেশের কূটনীতিকও উপস্থিত ছিলেন! অনেকটা বাধ্য হয়ে তাকে এতে সম্মতি দিতে হয়। আর এতে করে, প্রতিবেশি দেশটি এদেশের নির্বাচন নিয়ে ২০১৪ সালের মত প্রকাশ্য অবস্থান নিতে পারেনি। নিরাপত্তা উপদেষ্টা ঢাকায় অবস্থানকালেই সে দেশের দশ সদস্যের একটি উর্ধতন সেনা আধিকারিকও ঢাকায় আসেন। হোটেল রেডিসনে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হলেও গোয়েন্দা তৎপরতা এড়াতে তারা কূটনৈতিক এলাকায় অন্যত্র থাকেন। উত্তরপাড়াতে একদিনের মিশনে বাহিনীপ্রধান ও অন্যান্যদের সাথে আলোচনায় সবকিছু ঠিকঠাক করে তারা ফিরে যান।

খুব দ্রুততার সাথেই ঘটতে যাচ্ছে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ। ঘটনা ঘটার স্বার্থেই প্রভাবশালী দেশটি তাদের কূটনীতিককে সরিয়ে নিয়েছে তড়িঘড়ি করে। তারা চান না, সরকার পরিবর্তনের জন্য তাদেরকে দোষারোপ করা হোক, বরং রাষ্ট্রদূত না থেকে কাজ করাটা এক্ষেত্রে কম দূর্নামের। বর্তমান বিদায়ী আ’লীগ সরকারের লোকজন সবকিছু অবহিত থাকলেও নিজেদের ভবিষ্যত নিরাপত্তার জন্য হলেও আসন্ন ব্যবস্থাকে মেনে নিতে হচ্ছে। ক্ষমতা বদলালে লাখ লাখ লাশ পড়বে, নিজেদের এমন প্রচারণাও এক্ষেত্রে পালে হাওয়া দিয়েছে।

সূত্রঃ bdpolitico

Share Button

Leave a Reply