তাসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাস পড়ে দুটো নতুন তথ্য জানলাম।

ফেইসবুক থেকে
Share Button

তাসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাস পড়ে দুটো নতুন তথ্য জানলাম।

একঃ চেতনাজীবীদের এই যে এত্ত এত্ত চেতনার বোতল, তা ঠুস করে ভেঙে যায় নিমেষেই। ‘মাসুদা ভাট্টি’ নামের শানে নুযুল এতদিন পরে আজ উদ্ধার করলাম। টিভির সামনে গিয়েই পাকিস্তানের চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধার করা বিশেষ চরিত্রবান (!) ভদ্রমহিলা মাসুদা আপা তাহলে পাকিস্তানীর বউ ছিলেন? জানতে মন চায়, সেই বিয়ে কি স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে হয়েছিল? নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তখন শরীরীয় চেতনার কাছে পরাস্ত হয়ে পাকিস্তানী সুদর্শন পুরুষের বুকে আশ্রয় পেয়েছিল?

দুইঃ বাংলাদেশের সেক্যুলার, ধর্মবিদ্বেষী আলোর পথের যাত্রীরা কথায় কথায় হুজুর-মৌলবিদের ভন্ড, প্রতারক, ধর্ম-ব্যবসায়ী তকমা দিয়ে বড্ড আরাম অনুভব করে। আমি বিশ্বাস করেছিলাম, এই সেক্যুলার প্রজাতি অন্তত সত্যাশ্রয়ী, আপোষহীন! ওমা! কান্নাকাটি করে তাসলিমা আপুর কাছ থেকে মিথ্যা চিঠি লিখে নিয়ে ইংল্যান্ডে এসাইলাম চেয়ে এই চরিত্রবান মহিলা এ কী করলেন? হুজুররা তো মিথ্যা দাবি করেন, এই সেক্যুলাঙ্গাররা জার্মানির ভিসা পেতে দিনকে রাত বানিয়ে দেয়। আজ থেকে তাহলে জার্মানির সাথে ইংল্যান্ড-আমেরিকাও যুক্ত করতে হবে?

পুনশ্চঃ
চরিত্রহীনা দ্যা গ্রেট তার এক বখে যাওয়া সহকর্মীর চরিত্র প্রকাশ করেছেন মাত্র। আমি সাবেক পাকিস্তানী বউ মাসুদা ভাট্টিকে তাই ‘চরিত্রহীনা’ বললাম না। আমি বললে চাকরি থাকবে না। যে বললে চাকরিকে প্রমোশন হবে, সে-ই বলেছে। লেটস চিয়ার গাইস! ব্যারিস্টার মাইনুল ভাই, ইউ বিউটি! এত্ত কিছু জানতেন ক্যামনে ম্যান?

Courtesy: Noor Mohammad

Share Button

Leave a Reply