ঐক্য থেকে সরলেই আস্তাকুঁড়ে: নজরুল ইসলাম খান

রাজনীতি
Share Button

জাতীয় ঐক্য থেকে যারা সরে যাবে তারা ‘আস্তাকুঁড়ে’ নিক্ষিপ্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, আজকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে। আমরা আছি সেখানে। এই ঐক্য আরও জোরদার হবে, আরও সম্প্রসারিত হবে এবং সে কারণে সরকার ফ্রন্টের নেতাদের সম্পর্কে নানা রকম অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ওই প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে এই তিনি বলেন, দু-একটা দল যদি সেখান থেকে ছিটকে পড়ে, তাতেও যেন জনগণ বিভ্রান্ত না হয়। বরং যারা ছিটকে পড়ে তারাই আস্তাকুঁড়ে চলে যায়।

জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স কক্ষে সম্মিলিত ছাত্র ফোরামের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের সাজা বাতিলের দাবিতে এই আলোচনা সভা হয়।

সংগঠনের সভাপতি নাহিদুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, খালেদা ইয়াসমীন, কৃষক দলের জাহাঙ্গীর আলম, যুব দলের কাদের সিদ্দিকী আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, যারা দেশে যথার্থ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চান, যারা জনগণের শাসন কায়েম করতে চান, যারাই দুর্নীতি-অনাচার থেকে দেশকে রক্ষা করতে চান, যারা দেশের স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চান, যারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চান, তারা সবাই একটা সময়ে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হবে, এটাই স্বাভাবিক। দেশে গণতন্ত্র ‘ফিরিয়ে আনতে’ সবাইকে ‘ত্যাগ স্বীকারের জন্য প্রস্তুত’ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নজরুল বলেন, ড. কামাল হোসেনকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করেছিলেন আওয়ামী লীগ। অথচ তারা এখন খারাপ হয়ে গেছে। মাহমুদুর রহমান মান্না, আ স ম আবদুর রব সবাই তাদের লোক ছিল। কিন্তু তারা এখন আওয়ামী লীগের কাছে খারাপ হয়ে গেছে। কারণ আওয়ামী লীগের খারাপ কাজগুলো পছন্দ করেন না বলে তারা সবাই বের হয়ে গেছেন আওয়ামী লীগ থেকে।

বিএনপির নিবন্ধন বাতিলের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দলের নেতা বলেছেন বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে নিষিদ্ধ করা হোক। যিনি বলেছেন, তাদের একসময় সন্ত্রাসী বলেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিদের হত্যা করেছে ওই দলটি। কিন্তু এখন তারা সন্ত্রাসীও নেই। কোনো সমস্যাও নেই। কারণ তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটা সময় অতিক্রম করছি। যখন কেউ সুবিচার পাচ্ছে না। যে দেশের বিচারককে রায় দেয়ার কারণে দেশ ছাড়তে হয়, সে দেশে কেউ বিচার পাবে তা বলা যায় না। ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কী রায় হতে পারে, তা আগেই অনুমান করা যায়। এর জন্য খুব বেশি বুদ্ধিমান হওয়ার প্রয়োজন নেই।

খবরঃ যুগান্তর

Share Button

Leave a Reply