এ কেমন মিথ্যাচার , একজন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে !!!!

এক্সক্লুসিভ
Share Button

ছেলের চেয়ে কম বয়সী শেখরের সাথে হাসিনার যৌন সম্পর্ক

কানাডা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তার এপিএস সাইফুজ্জামান শিখরের সেক্সুয়াল রিলেশন রয়েছে। এনিয়ে স্ত্রীর সাথে শিখরের বাদানুবাদ হয়, ঝগড়া করে বাপের বাড়ি যাওয়ার পরে তাকে বোঝাতে গিয়ে টেলিকথপোকথন এনটিএমসিতে রেকর্ড হয়। এনটিএমসির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল আহসান বিষয়টি নিয়ে সতর্ক হন, এবং এ সংক্রান্তে তথ্য জোগাড় করতে থাকেন।

বিভিন্ন কথপোকথন থেকে ব্রিগেডিয়ার জিয়া জানতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিতভাবে হাই ডোজের ঔষধ খান, এবং হরমোন নিয়ে যৌনশক্তি ধরে রেখেছেন। অফিস সময়ের পরে বিকালে বা রাতে শেখরকে গণভবনে ডেকে নিয়ে মিলিত হন শেখ হাসিনা। শিখরের গাড়িতে সব সময় ভায়াগ্রা থাকে, যা একবার শিখরের স্ত্রীর হাতে ধরা পড়ে। এনিয়ে গন্ডগোল শুরু হয়, যা আত্মীয় স্বজন পর্যন্ত গড়ায়। পরে শিখর তাকে বুঝিয়ে ঠান্ডা করেন- আমি যা কিছু করছি চাকরির জন্য করছি, রাজনীতির ক্যারিয়ারের জন্য। এর বিনিফিশিয়ারী তোমরাই হবে। কিন্তু উল্টাপাল্টা কিছু করলে নিজেও বাঁচবনা, তোমাদেরও বাঁচাতে পারব না। শাকিলের মত মেরে ফেলবে।

সাইফুজ্জামান শিখর মাগুরা-১ আসনের আ’লীগের প্রয়াত এমপি আসাদুজ্জামানের ছেলে। শিখর ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলেন, কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস-২ হিসাবে নিয়োগ লাভ করেন শিখর। উল্লেখ্য, শিখরের জন্ম ১৯৭১ সালের অক্টোবরে, যিনি বয়সে শেখ হাসিনার পুত্র জয়ের চেয়ে পাঁচ মাসের ছোট!

এদিকে শেখ হাসিনার সাথে সম্পর্কের জোরে শিখর তার নিজ জেলা মাগুরার একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে বসেন। জেলার মন্ত্রী বীরেন শিকদারকে ল্যাং মেরে ফেলে দিয়ে শিখর নিজেই মাগুরা-২ থেকে আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য তৈরী হয়েছেন, এবং মনোনয়ন নিশ্চিত বলে ঘোষণাও দিয়েছেন। এক্ষেত্রে শিখর সবচেয়ে বড় উদাহরন হিসাবে ব্যবহার করছেন শেখ হাসিনার দীর্ঘ দিনের বয়ফ্রেন্ড মৃনাল কান্তি দাসকে, যিনি এখন মুন্সিগঞ্জ-৩ এলাকার সংসদ সদস্য।

মৃনাল সম্পর্কে শেখ হাসিনার ১৭ বছরের বিশেষ সহকারী মতিয়ুর রহমান রেন্টু তার ‘আমার ফাঁসি চাই’ গ্রন্থে লিখেন, ১৯৮১ সালের ১৭ই মে বাংলাদেশে আসার পর থেকে শেখ হাসিনা তার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সাথে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কখনোই একটি দিন বা একটি রাত কাটাননি। তার স্বামী ড. ওয়াজেদ প্রথম থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মহাখালির আনবিক কমিশনের কোয়ার্টারেই কাটিয়েছেন।

মহাখালি স্বামী কোয়ার্টারে থাকতে এবং পরবর্তীতে ধানমন্ডি বত্রিশের পিত্রালয়ে বঙ্গবন্ধু ভবনে থাকতে, ১৯৮৭ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ভি,পি মৃনাল কান্তি দাস নামের তরুণ যুবক আসার আগ পর্যন্ত শেখ হাসিনা নিয়মিত, রুটিন মাফিকভাবে প্রতিদিন ঠিক সন্ধ্যার একঘন্টা আগে গোসল করে পাউডার, পারফিউম মেখে লম্বা চুলে একটা বেনী করে, চকচকে নতুন শাড়ী ব্লাউজ পরে খুবই পরিপাটি হয়ে কাউকে সঙ্গে না নিয়ে শুধুমাত্র ড্রাইভার জালালকে সঙ্গে নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে বেরিয়ে যেতেন (এটাই কর্নেল আকবরের বাসা) এবং ঘন্টা দু’য়েক পরে ফিরে আসতেন।

শুধু অজ্ঞাত স্থানে যাওয়া ছাড়া শেখ হাসিনা কখনই একা শুধু জীপগাড়ী আর চালক নিয়ে বাইরে যেতেন না। ঐ সময় এবং ঐ অজ্ঞাত স্থান ছাড়া যেখনেই তিনি যেতেন তার সাথের সকলকে অবশ্যই নিয়ে যেতেন। ১৯৮৭ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি তরুন যুবক মৃনাল কান্তি দাসের (বর্তমানে এমপি ও আ’লীগের উপ প্রচার সম্পাদক) সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকেই মৃনাল কান্তি দাস ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে দিবা-রাত্রি সার্বক্ষণিকভাবে থাকতে শুরু করলো। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকেন। শেখ হাসিনা ধীরে ধীরে নিয়মিত রুটিন মাফিক সন্ধার আগে অজ্ঞাত স্থানে যাওয়া ছেড়ে দিলেন। অধিক রাত পর্যন্ত, এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত ধানমন্ডি বত্রিশের লাইব্রেরীতে হাসিনা এবং মৃনাল ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে কথাবার্তা বলত এবং হাসাহাসি করত। কিছু দিনের মধ্যেই কৃশকায় মৃনাল ফুলে ফেপে উঠতে থাকে। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের এত গভীর সম্পর্ক ছিলো, যে অন্যদের কাছে তা ঈর্ষার কারণ হয়।

নেত্রীর কাছে মৃনালের গ্রহনযোগ্যতা বেশী হওয়ার কারণে আওয়ামীলীগের সকল পর্যায়ের নেতা মৃনালকে সম্মান করে চলতো। মৃনালই ছিলো হাসিনার রাজত্বের একমাত্র অধিপতি। ১৯৯০ সালের একদিন সাজেদা চৌধুরীর উপস্থিতিতে মৃনাল আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদককে অপমান করে বসে। বিষয়টি কার্যনির্বাহী কমিটিতে তোলা হলেও এর কোনো প্রতিকার হয়নি। দিনে দিনে মৃনালের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি বাড়তেই থাকে। এমনকি শেখ হাসিনার ঘনিষ্ট আত্মীয় এপিএস বাহাউদ্দিন নাছিম, সিকিউরিটি চীফ নজিব আহমেদ মৃনালের ফুট ফরমায়েশ খেটে ধন্য হতো।

একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে বিকাল ৩টা সাড়ে ৩টার দিকে ৪/৫ জনকে নিয়ে তাশ খেলছিলো মৃনাল। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র জীবিত মামা আকরাম (সাবেক এফবিসিসিআই সভাপতি) এসে খুব অশ্লীলভাবে বলে, “এই মৃনাল, যাও। সে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। খায়নি কিছু্।” মৃনাল জবাব দেয়, “তাতে কি, থাকুক না আরো কতক্ষণ ক্ষুধার্ত।” মৃনাল তার ক্ষমতা দেখানোর জন্য আরো কিছুক্ষণ তাশ খেলে। এভাবেই মৃনাল নিজেকে জাহির করে, সে হাসিনার রাজত্বের একমাত্র অধীশ্বর। মৃনাল ক্রমশ উদ্ধত হয়ে উঠে, ফলে হাসিনার সাথে মনোমালিন্য হয়। মৃনাল কয়েকবার বঙ্গবন্ধু ভবন ছেড়ে যায়। হাসিনা বুঝিয়ে শুনিয়ে আবার তাকে ফেরত আনে। ১৯৯১ সালে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরে ৩২ নম্বরের বাড়ি ছেড়ে শেখ হাসিনা ওঠেন ২৯ মিন্টু রোডের বাড়িতে। সেখানে তার সাথে যায় মৃনাল, আর তিন নিকটাত্মীয় নজীব, নাসিম, আর নকিব। এ বাড়িতে তিনজন নিকটাত্মীয়ের সাথে একত্র থাকতে অপছন্দ করে মৃনাল। এক পর্যায়ে মৃনাল মিন্টু রোড ছেড়ে চলে গেলে হাসিনা আর তাকে ফেরত আনেনি। এ সময়ে মৃনাল নানা জনের কাছে বলতে থাকে, হাসিনার সাথে তার শারীরিক সম্পর্কের কথা। এমনকি সে খুব গর্ব করেই বলতো, “শেখ হাসিনার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি আমার চেনা।”

তবে শেখরের স্ত্রী তার স্বামী, দুই মেয়ে এবং এক পুত্রের জীবন নিয়ে আশংকায় আছেন। কেননা, একই রকম সম্পর্কে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল আলম শাকিলকে জীবন দিতে হয়েছিল বছর দুয়েক আগে।

DISCLAIMER: This is an investigative report by BD Politico Team. We reserve the right to protect our sources by law.

সুত্র BD Politico

Share Button

Leave a Reply