ড. কামালদের তৎপরতার প্রেক্ষিতে জামায়াতের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার

মতামত
Share Button

ড. কামালদের তৎপরতার প্রেক্ষিতে জামায়াতের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার

ড. কামালদের তৎপরতা, পিনাকীর স্ট্যাটাস, মাহী বি’র প্ল্যান বি এইসব নিয়ে অনেকেই দেখছি খুবই কনফিউজড। সবাই জামায়াতের অবস্থান জানতে চায়। এটা একটা কমন ট্রেন্ড হয়ে গেছে যে দেশে কিছু ঘটলেই কিছু মানুষ জামায়াতের প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করে। যেন জামায়াতের একটা প্রতিক্রিয়া ডিপার্টমেন্ট আছে, কিছু হলেই ওই ডিপার্টমেন্ট থেকে নগদে প্রতিক্রিয়া আসবে। ওই মানুষদের বোঝা উচিত জামায়াত কোনো বেকার সংগঠন না যে কারো স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়া জানাবে, মাহী বি চৌধুরীদের মতো টুটাফুটাদের গুনবে।

হ্যাঁ, ড. কামালদের তৎপরতা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর দরকার আছে, জামায়াত সেটা জানিয়েছেও। জামায়াত সুস্পষ্ট ভাবে বলেছে, ‘বিএনপি যদি মনে করে জোটে জামায়াতের প্রয়োজন নেই, তাহলে বিএনপি নিজেই সেটা ঘোষণা দিক, কিন্তু জামায়াত নিজে ঘোষণা দিয়ে কখনোই জোট থেকে বেরিয়ে যাবে না, জোট ভাঙ্গার দায় জামায়াত নেবে না।’

কেন নেবে না তার স্ট্রং কিছু ভ্যালিড রিজন আছে। সবচেয়ে বড় রিজন হচ্ছে, জামায়াত যদি নিজেই বেরিয়ে যায় তাহলে এই অবৈধ সরকারের বিভিন্ন হিডেন কনসার্নরা প্রচার করবে যে ‘তলে তলে আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের আঁতাত হয়েছে, তাই তারা জোট থেকে বেরিয়ে গেছে’। এবং এই কথাটা দিয়ে সরকার ভালো একটা ব্যবসা করে নেবে। আরেকটা বড় কারণ হচ্ছে, জোটে থাকা নিয়ে জামায়াতের এবং স্বয়ং বিএনপির কোনো এলার্জি নেই, যা এলার্জি তার সবই এই অবৈধ সরকার এবং তার দোসরদের। তো জামায়াত অন্যদের এলার্জি, গাত্রদাহে কেন উঠবে বসবে?

এই দুইটা কারণ সহ আরো বিভিন্ন কারণে জামায়াত জোট ভাঙাভাঙি ছাড়াছাড়ি এইসবের থেকে শতমাইল দূরে। সুতরাং জামায়াত আগেই তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে ল্যাঠা চুকিয়ে দিয়েছে। এরপরও সবাই কেন জামায়াতের দিকে তাকিয়ে আছে? বল তো এখন বিএনপির কোর্টে। যদি আওয়ামী সরকারের পতন ড. কামালদের সহযোগিতায় করা যায়, নির্বাচনে জেতা যায়, তবে তাই হোক। জামায়াতকে ছেড়ে ড. কামালদের সাথে জোট করুক। তারপরও দেশের মানুষ এই অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা পাক।

Abdullah Russel

Share Button