সিএমএইচের বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করতে চান খালেদা

রাজনীতি
Share Button

কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:

১. বেগম জিয়া রাজি থাকতে শারীরিক পরীক্ষার জন্য অতিসত্বর তাঁকে সিএমইচে নেওয়া হবে।

২. সিএমএইচের চিকিৎসকরা যদি মনে করেন সেখানে রেখেই বেগম জিয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন তাহলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

৩. বেগম জিয়া চাইলে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরাও সিএমএইচে এসে তাঁকে দেখার সুযোগ পাবেন।

কারা কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব পাওয়ার পর বেগম জিয়া হ্যাঁ, না কিছুই বলেননি। তিনি বলেছেন, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তিনি সিদ্ধান্ত জানাবেন। আগামীকাল শুক্রবার অথবা পরদিন (ঈদের দিন) শনিবার বেগম জিয়ার পরিবার কারাগারে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেন। ওই সময় বেগম জিয়া সিএমএইচে যাওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করতে পারেন বলে কারা সূত্রে জানা গেছে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট ভালো আছে। আর কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, ‘তাঁর (বেগম খালেদা জিয়া) অসুস্থতা নিয়ে গণমাধ্যমে যেভাবে প্রচার হচ্ছে, তিনি আসলে ততটা অসুস্থ নন। এখন তিনি মোটামুটি ভালো আছেন। এরপরও আমরা চাই তাঁর চিকিৎসা হোক। বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তা আমরা করছি।’

বাংলা ইনসাইডার

সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ইসি: সাকি
আরপিওর নামে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং সেই কাজে নির্বাচন কমিশন সরকারকে সহযোগিতা করছে বলে মনে করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

বৃহস্পতিবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘তত্ত্বাওধায়ক সরকার আরপিওর নামে রাজনৈতিক দল নিয়ন্ত্রণের যে বন্দোবস্ত করেছিল, বর্তমান সরকার তাকে আরও বহুগুণ কঠোর করে তোলার মধ্য দিয়ে সমাজে নতুন চিন্তা ও রাজনৈতিক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণেরই বন্দোবস্ত করছে। নির্বাচন কমিশনও সেই কাজে সহযোগীর ভূমিকাই পালন করছে। অথচ এই ধারাগুলো রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার জনগণের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।’

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন গণসংহতি আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ‘নির্বাচন কমিশনের দেয়া সবগুলো শর্ত পূরণ করেই গণসংহতি আন্দোলন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। গণমাধ্যম থেকে আমরা জানতে পারেছি, নির্বাচন কমিশন গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধনের উপযুক্ত বলে মনে করেনি। অথচ এর আগে ৮ এপ্রিল গণসংহতি আন্দোলনকে চিঠি প্রদান করে নির্বাচন কমিশন অঙ্গ সংগঠন না থাকার ঘোষণা এবং প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া। এই দুটি বিষয়ে গঠনতন্ত্রে সংশোধনীর জন্য বলা হয়েছিল। সেটি যথাসময়ে সংশোধন করে জমাও দেয়া হয়।’

এসময় তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘নির্বাচন কমিশন তার সিদ্ধান্ত পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্বিবেচনা করে গণসংহতি আন্দোলনের আবেদন মাঠ পর্যায়ে জরিপের জন্য পাঠাবে এবং নিবন্ধন বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।’

‘অন্যথায় নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেলে গণসংহতি আন্দোলন সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আইনেরও দ্বারস্থ হবে।’।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, মনির উদ্দিন পাপ্পু, আরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক রায়, কেন্দ্রীয় সংগঠক বেলায়েত শিকদার, জুলকারনাইন ইমন, প্রবীর সাহা, আশরাফুল আলম সোহেলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা।

ঢাকাটাইমস

Share Button