আ.লীগের নারী কর্মীরাও কেন্দ্র দখল করে সিল মেরেছে

রাজনীতি
Share Button

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আরও একটি কেন্দ্রে নৌকায় সিল মারার অভিযোগে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নারী কর্মীরা ৩১ নম্বর কেন্দ্রটি দখল করে। পরে ওই কেন্দ্রটির ভোটও স্থগিত করা হয়। এ নিয়ে খুলনা সিটিতে মোট চারটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়। এর বাইরে আরও একটি কেন্দ্রের একটি বুথে ভোট স্থগিত হয়েছে এবং একটি কেন্দ্রে স্থগিতের পর আবার চালু হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে ৩১নম্বর ওয়ার্ডের লবণচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারার অভিযোগ উঠে আওয়ামী লীগের নারী কর্মীদের বিরুদ্ধে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা একটার দিকে এই কেন্দ্রের একটি বুথে হঠাৎ কয়েকজন নারী ঢুকে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে নেন। পরে তারা মেয়র পদে নৌকা ও কাউন্সিলর পদের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বক্স ভরে রেখে চলে যান।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, ‘কয়েকজন মহিলা বুথে ঢুকে বলেন কেউ কোনো কথা বলবেন না। কিছুক্ষণ পর তারা ব্যালট পেপারে সিল মেরে বক্সে ভরে চলে গেছেন।’

এর আগে ২৪নং ওয়ার্ডের সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। সেখানে প্রিজাইডিং অফিসার কেন্দ্রের বাইরে যাওয়ার পর যুবলীগের কয়েকজন নেতা কেন্দ্রে ঢুকে সিল মারছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ভোট স্থগিত হয় নৌকা প্রতীকে সিল মারার ঘটনায়। বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই দুই কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি হাতেনাতে ধরেন কয়েকজনকে।

আর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি বুথে স্থগিত করা হয় ভোট। সেখানেও নৌকা মার্কায় সিল মারা হচ্ছিল।

এর বাইরে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আব্দুল মালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রেও জাল ভোট দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সেখানেও প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার পর সেখানে কিছু সময় ভোট বন্ধ থাকে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মহিতোষ কুমার বিশ্বাস। পরে অবশ্য এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়।

শীর্ষনিউজ

Share Button